Connect with us

অনলাইনে অর্থ উপার্জনের চারটি পেশা ও যেভাবে শুরু করবেন

নির্বাচিত

অনলাইনে অর্থ উপার্জনের চারটি পেশা ও যেভাবে শুরু করবেন

বর্তমানে ইন্টারনেট অসংখ্য মানুষের অর্থ রোজগারের নিশ্চিত ব্যবস্থা করে দিয়েছে। অনেকের মত আপনিও হয়ত ভাবছেন গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে কীভাবে অর্থ আয় করবেন। কিন্তু, সম্ভবত: আপনি এ বিষয়ে কখনোই কোনও পদক্ষেপ নেননি।

অনলাইনে অর্থ উপার্জনের চারটি পেশা ও যেভাবে শুরু করবেন

কোভিড-১৯ এর কারণে বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষ  চাকরীচ্যুত হয়েছেন। তারা এখন হন্যে হয়ে নতুন কোন কাজ খুঁজছেন। এছাড়াও, অনেকেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঘরে বসে কাজ করার কথা ভাবছেন। এই সময়ে অনলাইনে আয় দারুণ একটা সুযোগ হতে পারে। আর কীভাবে অনলাইন অর্থ আয় করা যায় সেটা জেনে নেয়ার এটাই মোক্ষম সময়। এই লেখাটিতে উল্লেখ করা হয়েছে চারটি এমন কৌশল যেগুলো  কাজে লাগিয়ে আপনি শুরু করতে পারেন অনলাইনে অর্থ আয় করার যাত্রা। এমনকি বর্তমান পেশার ফাঁকে ফাঁকে ও এগুলি করা যায়। শুধু থাকতে হবে কিছু করার চেষ্টা ও ইচ্ছাশক্তি।

১) ব্লগিং শুরু করতে পারেনঃ

ব্লগ (Blog) কি?

ব্লগ হল একধরনের ভার্চুয়াল ডায়েরী। বেশিরভাগ ব্লগই টেক্সট-বেইস্ড বা লেখা-ভিত্তিক। এছাড়া রয়েছে আর্ট ব্লগ, ফটো-ব্লগ, ভিডিও ব্লগিং, সঙ্গীত (MP3 Blog) আর অডিও (Podcasting) ভিত্তিক ব্লগ। অনেকই আছেন যারা লেখালেখি পছন্দ করেন। এক্ষেত্রে অনলাইনে ব্লগে লেখার সুযোগটি আপনি কাজে লাগাতে পারেন। পণ্য বা প্রতিষ্ঠানের প্রচার ও প্রসারের জন্যও ব্লগিং বিরাট ভূমিকা পালন করে।

কিভাবে শুরু করবেনঃ

বিনামূল্যে বা টাকা খরচ করে দুই ভাবেই ব্লগ তৈরি করা যায়। বিনামূল্যে blogger.com বা  WordPress.com সাইটে একাউন্ট তৈরি করে আপনি এখনই ব্লগ তৈরির কাজ শুরু করতে পারেন। তবে যদি আপনি প্রফেশনাল ব্লগিং করতে চান। তাহলে WordPress self-hosting, অথাৎ ডোমেইন হোস্টিং কিনে সেখানে WordPress ইন্সটল করে ব্লগ তৈরি করতে হবে। আপনি টেকবেঙ্গল থেকেও ডোমেইন হোস্টিং কিনতে পারেন। কিনতে এখানে ক্লিক করুন

একটি প্রফেশনাল ব্লগ সাইট তৈরি করার জন্য শুরুতেই লাগবে ডোমেইন (Domain)। ডোমেইনের নামটির উচ্চারণ হতে হবে সহজ ও শ্রুতিমধুর। সহজে সবার মনে থাকবে এমন নাম দিলে ভালো হয়। পরবর্তী ধাপ হল একটি উন্নতমানের হোস্টিং সার্ভিস (Hosting) ক্রয় করা। এরপর আপনার ব্লগটি অন্যদের থেকে আলাদা করতে চোখ জুড়ানো ডিজাইন তৈরি করা আবশ্যক। যারা আপনার ব্লগে ভিজিট করবেন তারা যেন স্বল্প সময়ে ও সহজেই তাদের কাঙ্ক্ষিত তথ্যটি খুঁজে পান সেই দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

ব্লগিং এর প্রধান শক্তি হল এর জন্য নির্মিত কন্টেন্ট (Content)। আপনার কন্টেন্ট (লেখা) যত বেশি ইউনিক হবে তত বেশি গুগল সার্চে প্রথম দিকের সারিতে জায়গা পাবে। এছাড়া কন্টেন্ট হতে হবে তথ্যবহুল ও বিষয়ভিত্তিক। সামাজিক  মাধ্যমে কন্টেন্ট শেয়ার করে একদিকে আপনি যেমন বাড়তি আয় করবেন অন্যদিকে লেখার মধ্য দিয়ে পরিচিতিও পাবেন যা অর্জন করা অতীতে কষ্টসাধ্য ছিল।

ব্লগিং করে কিভাবে আয় করা যায়ঃ

আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধমেও আপনি আয় করতে পারেন। দুই ধরনের বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়।

  1. CPC (Cost Per Click) আপনার ব্লগে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনে যদি পাঠক ক্লিক করে তাহলেই আপনি কমিশন পেয়ে যাবেন। একেই বলে Cost Per Click।
  2. CPM (Cost Per 1000 impressions) অপরদিকে কতজন আপনার বিজ্ঞাপনটি ভিউ করলো তার উপর নির্ভর করে একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা পাবেন।এই পদ্ধতিকে বলা হয় Cost Per 1000 impressions।

বিজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রচলিত প্লাটফর্ম হল  Google Adsense। Adsense এ বিজ্ঞাপন প্রকাশক হিসেবে আবেদন করার পর যদি তা অ্যাপ্রুভ হয় তাহলে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য কিছু কোডস পাবেন। এই কোড গুলি আপনার ব্লগ এর লেখার মাঝে অথবা সাইড বারে দিলেই  বিজ্ঞাপন প্রদর্শন হবে।

এছাড়াও এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করেও কমিশন পাবেন। Amazon ও Flipkart এ  যেসব জিনিস পাওয়া যায় সেগুলোর বিজ্ঞাপন অথবা লিংক ব্লগে দেওয়া থাকবে। এইগুলিতে যদি কোন পাঠক ক্লিক করে অনলাইনে জিনিস কিনে তার সুবাদে আপনি কমিশন পাবেন।

যদি নিজে ব্লগ সাইট তৈরি করতে না পারেন তাহলে আপনি টেকবেঙ্গল এর ওয়েব ডিজাইন পরিষেবা থেকে কম খরচে বানিয়ে নিতে পারেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

Youtuber

২) একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারেনঃ

ইউটিউব চ্যানেল ( YouTube Channel) কি?

আজকাল আপনি রান্না শিখতে চাইলে প্রথমেই ইউটিউবের শরণাপন্ন হন। শুধু রান্নাই নয়, ইউটিউবে রয়েছে অগণিত টিউটোরিয়াল যেগুলো ইউটিউবকে নিয়ে গেছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ইউটিউব হল একটি ফ্রি ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট। এর রয়েছে কোটি কোটি দর্শক। আপনি নিজের তৈরি ভিডিও বন্ধুদের ও পরিচিতদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। খেলাধুলা থেকে শুরু করে নিত্য নতুন গবেষণা পর্যন্ত সবই পাবেন ইউটিউবে। অবশ্য বেশি জনপ্রিয় হল বিনোদনমূলক ভিডিও।

কীভাবে শুরু করবেনঃ

প্রথমেই আপনাকে একটি নির্দিষ্ট বিষয় পছন্দ করে তার উপর ভিত্তি করে তৈরি করতে হবে নানা চমকপ্রদ ভিডিও কন্টেন্ট। ধরুন যদি আপনি ভাল ভাল রান্না করতে পারেন তাহলে সেই রান্নার করার ভিডিও বানিয়ে তৈরি করতে পারেন রান্নার একটি ইউটিউব চ্যানেল। যদি টিচার হয়ে থাকেন তাহালে আপনার বিষয় অনুযায়ী সেই বিষয়ের উপরেই ভিডিও বানাতে পারেন। এক কাথায় আপনি যা পারেন তানিয়েই একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারেন। শুধু মনে রাখতে হবে যে আপনি যেটা বানাচ্ছেন সেটা লোকে কেন দেখবে? সেখান থেকে কিছু শেখার আছে?

এরপর নির্ধারণ করতে হবে কখন কোন ভিডিও আপলোড দিবেন অর্থাৎ একটি কন্টেন্ট সৃষ্টি ও প্রচারের কৌশল। কিন্তু এখানেই কি শেষ? না, তা নয়। এরপর আপনাকে মনিটাইজেশন (আয়) এর জন্য আবেদন করতে হবে।

ইউটিউব চ্যানেল থেকে কীভাবে আয় করবেনঃ

অনেকেরই ভুল ধারণা আছে যে ইউটিউবে প্রদর্শিত ভিডিওর ‘ভিউ’ উপর ভিত্তি করে মানুষ টাকা পায়। আসলে ভিডিওতে যেগুলো বিজ্ঞাপন দেওয়া থাকে সেগুলোতে কত মানুষ ক্লিক করলো তার উপর নির্ভর করে আপনার আয়।

এই প্রক্রিয়াকে ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন (Monetization) বলা হয়। মনিটাইজেশনের মাধ্যমে গুগল ইউটিউব চ্যানেলে থাকা ভিডিওর  উপর বিজ্ঞাপন দেখানোর অনুমতি পায়। শর্তসাপেক্ষে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে গুগল বিজ্ঞাপন দেখানো শুরু করবে। শর্তগুলো হল ইউটিউবে কমপক্ষে এক হাজার গ্রাহকসংখ্যা অথবা সাব্সক্রাইবার ও  এক বছরে নিম্নতম ‘ওয়াচ টাইম (সর্বমোট কতক্ষণ ভিডিও দেখেছে)’ চার হাজার ঘণ্টা থাকা প্রয়োজন। তাহলেই গুগল আপনার ইউটিউব চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখানো শুরু করবে। এছাড়া বিভিন্ন সাইটের এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করেও আপনি অর্থ আয় করতে পারেন।

Article Writer

৩) আর্টিকেল রাইটার হতে পারেনঃ

আর্টিকেল রাইটার কি?

বিশেষত যদি লেখালাখি আপনার পছন্দের হয় ও ইংরেজিতে ভাল দক্ষতা থাকে তাহলে ব্লগিং এর পাশাপাশি শুরু করতে পারেন আর্টিকেল লেখার কাজ। আপনি যেকোনো বিষয়ের উপরই লিখতে পারেন। আর্টিকেল লেখার জন্য নির্দিষ্ট কোন ব্যাকগ্রাউন্ড প্রয়োজন হয় না। পণ্যের রিভিউ লেখা, অ্যাফিলিয়েট কন্টেন্ট রাইটিং গবেষণার বা একাডেমিক আর্টিকেল লেখার কাজও করতে পারেন। অনলাইনে দক্ষ লেখকদের খুবই ভাল চাহিদা আছে।

কিভাবে শুরু করবেনঃ

লেখালিখির ক্ষেত্রে ভাষা-গত দক্ষতা  অবশ্যই থাকতে হবে। মানুষ যেন খুব সহজে বুঝতে পারে ও আনন্দ পায় এরকম প্রাঞ্জল ভাষায় লিখতে হবে। আর্টিকেল এর শিরোনাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে। কোন তথ্য ভুল দেওয়া যাবে না। কোন নির্দিষ্ট তথ্যের জন্য তথ্য সূত্র দেওয়া উচিত। এছাড়া কি-ওয়ার্ড এর প্রয়োগ জানতে হবে। একজন লেখক হিসেবে আপনাকে অবশ্যই সৃজনশীলতার পরিচয় দিতে হবে। কারণ গুগল ‘কপি-পেস্ট’-এর মাধ্যমে লেখা সহজেই সনাক্ত করতে পারে। আর কপি পেস্ট লেখার কোনও মুল্য নেই। তাই আর্টিকেল রাইটার হতে চাইলে প্রথমে নিজের একটা ব্লগ বানান তাতে আপনার দক্ষতা প্রকাশ পাবে এবং সেই দক্ষতা দেখিয়ে আপনি সহজেই আর্টিকেল লেখার কাজ পেয়ে যাবেন।

সাধারণত আর্টিকেল রাইটার দের একটি বিষয় দেয়া হয় তার উপর ভিত্তি করে আপনাকে একটি আর্টিকেল লিখতে হবে যা সাধারণত ৭০০ থেকে ১৫০০ শব্দের হতে হবে। ধরুন অ্টাআপনাকে একটি মোবাইল ফোন নিয়ে লিখতে বলা হল। তখন আপনাকে ওই ফোনটির বিভিন্ন ফিচারস/বৈশিষ্ট্য, স্পেচিফিকেসন, ফোনটির ভাল খারাপ দিক। কেন লোকে ফোনটি কিনবে ও কেন কিনবে না। অন্য ফোনের থেকে এতে বিশেষ বৈশিষ্ট্য কি আছে এসব নিয়ে বিস্তারিত লিখতে হবে।

আর্টিকেল রাইটার কিভাবে আয় করেঃ

ইংরেজিতে সাবলীল ভাবে লিখতে পারলে কেউ আপনার সাফল্য রুখতে পাড়বে না। বাংলারও চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা পোস্ট লেখার বিনিময়ে টাকা দেয়। যেমনঃ

  1. https://www.iwriter.com
  2. https://www.scripted.com/become-a-scripted-writer
  3. https://uk.copify.com/jobs
  4. https://link-able.com/authors
  5. https://www.cracked.com/write-for-cracked
  6. https://whatculture.com/write-for-us

এছাড়াও অনলাইনে সার্চ করলে অনেক ওয়েবসাইট পাবেন। আপনি Fiverr.com এও জয়েন করে আর্টিকেল রাইটিং পরিষেবা প্রদান করতে পারেন। এছারা বিভিন্ন সাইটে আপনি গেস্ট ব্লগিং করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।

৪) ফ্রিল্যান্সার হতে পারেনঃ

ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) কি?

ফ্রিল্যান্সিং হল চুক্তি ভিত্তিক একটি পেশা যেখানে একজন ব্যক্তি কোনও প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাজ করার পরিবর্তে অন্য কাউকে তার শিক্ষা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সেবা প্রদান করেন। উল্লেখযোগ্য কাজগুলি হল ওয়েব ডিজাইনিং, গ্রাফিক ডিজাইনিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট,কন্টেন্ট রাইটিং, ইত্যাদি।

ফ্রিল্যান্সিং সম্প্রকে আরও বিস্তারিত জানতে এটি পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং কি? কেন? এবং কিভাবে শুরু করবেন?

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন কীভাবেঃ

অনেকেই ছকে বাঁধা নয়টা-পাঁচটা চাকুরী ছেড়ে দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে আগ্রহী। এই উদ্দেশ্যে তারা যোগ দিয়ে থাকে অনলাইন নির্ভর বিভিন্ন মার্কেট-প্লেসে, যেমন আপওয়ার্ক, ফাইভার, ফ্রিল্যান্সার,ইত্যাদি। উদাহরণস্বরূপ ফাইভারে একেক-টি কাজকে গিগ বলা হয়। গিগের ভিত্তিতে ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারকে নির্বাচন করেন। কাজটি একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হয়। পারিশ্রমিকের বিষয়ে ক্লায়েন্টের সাথে কাজ শুরুর আগেই চুক্তি করা হয়। কাজ শেষ হবার পর ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেন।

প্রথমেই  কাজ  পেতে সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে সুন্দর একটি পোর্টফলিও তৈরি করুন এবং বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে গিগগুলো শেয়ার  করুন। এছাড়া বেশিরভাগ ক্লায়েন্টই অবাঙ্গালী হয়ে থাকেন। তাই তাদের সাথে যোগাযোগের জন্যে ইংরেজি ভাষার উপর দখল খুব জরুরি। ফ্রিল্যান্সিং সম্প্রকে আরও বিস্তারিত জানতে এটি পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং কি? কেন? এবং কিভাবে শুরু করবেন?

অনলাইনে অর্থ আয়ের এই কৌশলগুলো অবলম্বন করে দিনের শেষে আপনার আয় কত হবে শুরুতেই তা বলা কঠিন, কিন্তু কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও ভালবাসা থেকেই ধাপে ধাপে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌঁছুতে সক্ষম হবেন। তবে আর দেরি কেন? আজই শুরু করে দিন অনলাইনে কাজ করে অর্থ আয় করার যাত্রা।

কোনও প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন এবং পোস্ট-টি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

শুভ কামনা 🙂

Continue Reading
blank

ইনি ছোটবেলা থেকেই তথ্য-প্রযুক্তি-কে ভালোবাসেন, সব সময় প্রযুক্তি নিয়েই থাকেন। স্বাধীন ভাবে চলতে পছন্দ করেন। এখন কম্পিউটার নিয়ে পড়াশুনা করছেন ও তার পাশাপাশি ওয়েব ডেভেলপর হিসেবে ফ্রীল্যান্সিং করেন।

Click to comment

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More in নির্বাচিত

Advertisement

বিভাগ সমূহ

টেক-বেঙ্গল পোল

"বাঙালীরা এখনো তথ্য প্রযুক্তি -তে পিছিয়ে" আপনি কি মনে করেন ?

View Results

Loading ... Loading ...

সেরা টেক বাঙালী

To Top